![]() |
| এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে বিধায়ক ডাঃ নির্মল মাজি (Fb Video) |
নিজস্ব প্রতিনিধি, আমতাঃ উলুবেড়িয়া উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ নির্মল মাজি এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনকাহিনি, চিকিৎসা জীবন, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং এলাকার উন্নয়ন নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন।
সাক্ষাৎকারে ডাঃ মাজি জানান, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। চিকিৎসা পড়াশোনার সময়ই তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই তিনি ডাক্তার হবেন। তার কথায়, অনেক চিকিৎসক ফি নিলেও তিনি বহু সময় সাধারণ মানুষের চিকিৎসা বিনা পয়সায় করেন। তাই নিজেকে তিনি “বিনা পয়সার ডাক্তার” বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
তিনি বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ জন রোগীকে দেখেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই দরিদ্র মানুষের জন্য চিকিৎসা ও পরামর্শ বিনামূল্যে দেন। গুরুতর রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজ, এসএসকেএম, এনআরএস সহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যবস্থাও করে দেন।
নিজের কর্মজীবনের কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, একসময় তিনি একটি বড় বহুজাতিক সংস্থায় উচ্চ পদে কাজ করতেন। সেই সংস্থার অধীনে একাধিক ইউনিট ছিল এবং সেখানে চিকিৎসা বিভাগের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। পরে মানুষের আরও কাছাকাছি থেকে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই সেই চাকরি ছেড়ে জনসেবার পথে আসেন।
আরও পড়ুন ঃ ১) আমতা-১ এরিয়ায় সিপিআই(এম)-এর নতুন শাখা কার্যালয় ‘বারীন্দ্রনাথ কোলে ভবন’-এর শুভ উদ্বোধন
২) "কেউ ছাড় পাবে না, সব কথা মনে থাকবে" - তোপ মো: সেলিমের
রাজনীতির প্রসঙ্গে ডাঃ মাজি বলেন, তার কাছে রাজনীতি মানে মানুষের সেবা। তিনি মনে করেন, মানুষের সমস্যার সমাধান করা এবং এলাকার উন্নয়ন ঘটানোই একজন জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব।
এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, উলুবেড়িয়া ও আমতা এলাকায় উন্নয়নমূলক একাধিক প্রকল্পের কাজ চলছে। নতুন ফায়ার স্টেশন, আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা এবং বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
এছাড়াও আমতা এলাকায় একটি ইকো পার্ক তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। সেখানে মানুষ যেন সকালে হাঁটাহাঁটি করতে পারে, পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে পারে এবং শিশুদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা থাকে - সেই ভাবনা থেকেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডাঃ নির্মল মাজি আরও বলেন, সমাজে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুক সেটাই তার কামনা। তাই ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনাতেও মানবিকতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সাক্ষাৎকারের শেষে তিনি জানান, মানুষের ভালোবাসা এবং আশীর্বাদই তার কাজ করার সবচেয়ে বড় শক্তি। মানুষের সেবা করাই তার জীবনের মূল লক্ষ্য বলেও জানান এই বিধায়ক-চিকিৎসক।
.jpeg)
0 Comments